We have an indistinct idea that the Earth is nothing but an inanimate object of soil, water and granite. But in reality the Earth is also a great entity of life and conscience. If not, how it begets such a great multitude of living beings ? As ours is a complete body of so many living beings like cells, molecules and atoms, so also the body of the Earth Planet is composed of the living matters to which we too belong.

     It has its life and conscience. It has the sense of pain and pathos, pleasure and merriment. It had its origin, it has also the end. As in our body we find a central bony pivot called skeleton around which there is a thick coating of flesh, blood, air and void, so also has this Earth a hard central structure of soil and granite and around it extends its body upto the limit of gravitation pull. Our blood stream rushes upto the periphery of our body limit and returnes to its central mechanism in the heart. Similarly any object in the Earth moving upto a limit above comes down to the bed according to the gravitational pull.

     This may be well demonstrated by the example of a ripe mango giving birth to a lot of worms within. The stone here acts as its structure which seems to be still-lifeless. But there is dalliance of life within the flesh. Externally however, the mango appears to be an inanimate object. The physical body of the Earth is just akin to this. Deep underneath the soil there is no exposition of life. But above the soil and up to the extent of gravitational pull there are variegated lives of manifestation.


পৃথিবীর দেহবিজ্ঞান

     পৃথিবী প্রাণচৈতন্য জীবনসত্তাময় একটি অবয়ব। এর ব্যথা বেদনা যন্ত্রনা আনন্দ উচ্ছলতার বোধ আছে। এর জন্ম ছিল, এর মৃত্যু আছে। পৃথিবীর দেহ বলতে আমরা এই জল, মাটি, প্রস্তরময় অবয়বটাকে বুঝি এবং এইখানেই আমরা ভূল করে বসি। আমাদের দেহে যেমন একটি হাড়ের কাঠামো আছে এবং তার উপর রক্ত মাংস বায়ূ ব্যোমের একটা সন্মিলিত আস্তরণ আছে, তেমনি এই পৃথিবীর যে মৃন্ময় দেহটা আমাদের দৃষ্টিগোচর, সেটা প্রকৃতপক্ষে তার কাঠামো। তাকে ঘিরে ঊর্ধে অধে, ডাইনে, বাঁয়ে যতদুর পর্যন্ত মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ক্রিয়াশীল, ততদুর পর্যন্ত তার দেহসত্তা বিস্তৃত। আমাদের হৃদপিন্ডের রক্তধারা যেমন দেহের প্রান্তদেশ পর্যন্ত গিয়ে আবার হৃদপিন্ডের আকর্ষণে ফিরে আসে, তেমনি পৃথিবীর যে কোন বিষয়বস্তু একটা প্রান্তসীমা পর্যন্ত গিয়ে আবার প্রত্যাগত হচ্ছে, – একেই আমরা মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আখ্যা দিয়েছি। একটা আমের দেহকে বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি আরও পরিস্কার হবে। ধরা যাক একটা সুপক্ক আম – তার মধ্যে অসংখ্য পোকা কিলবিল করছে।, আঁটিটি তার কাঠামো – জড়বৎ, শাঁসের মধ্যে প্রাণের চাঞ্চল্য। বাইরে থেকে কিন্তু আমটি একটি জড়ের অবয়ব। পৃথিবীর দেহসত্তা অবিকল এই প্রকার। মাটির গভীরে প্রাণের প্রকাশ নেই। কাঠামোর ওপরে মাধ্যাকর্ষণের প্রান্তসীমা পর্যন্ত অগণিত প্রাণের লীলাচাঞ্চল্য।

।। রাম নারায়ণ রাম ।।



  1. I know not all humans do or mean harm to the earth….but many people say Humans are like cancer to her.
    Some of us believe…if the humans really start to do too much damage she will just cleanse herself of almost all of us and we as humans must start all over again after she heals.
    Just some thoughts.

Leave a Reply